Logo
শিরোনাম
ঈদগাঁওতে বসতবাড়ীতে চুরির ঘটনায় আইফোন সহ গ্রেফতার- ২ নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীর গহীন  পাহাড় থেকে ৩ শ্রমিক অপহরণ ‎‎পাহাড়ী জনপদ ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ইউপি সদস্য রুস্তম আলীকে অপহরন পটিয়ার  নাইখাইনে গরু চুরি হওয়া  থানায় অভিযোগ: উল্টো  ভুক্তভোগী কৃষকের বড় ভাইকে  হয়রানি শিকার। ফুটবল ও ক্রিকেটে খেলোয়াড় বাছাই….. ঈদগাঁওতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস্ কর্মসূচির বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হারবাংয়ে ৩০শতক বনভূমি দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় ৩০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে  অনুপস্থিত  ৬ ঈদগাঁওতে ৩ কেন্দ্রে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষা শুরু বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে VL পাংখোয়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি

পরিদর্শন আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ ভোলার নদীভাঙ্গনরোধ, হুমকিতে বসতভিটা

ইয়ামিন হোসেন, ভোলা:খরস্রোতা মেঘনার কড়াল ঘ্রাসে দিনদিন ছোট হতে চলছে ভোলার মানচিত্র, ভাঙছে মেঘনা, তেতুলিয়া কাঁদছে মানুষ । অপরদিকে বড় এবং আরো বেশি খরস্রোতার রুপ ধারন করছে রাক্ষুসে মেঘনা নদী।ইতিমধ্যে পুর্ণিমার জোয়ারে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বিপদসীমা অতিক্রম করছে মেঘনার পানি । উত্তর ভোলায় পানি বন্দি রয়েছে প্রায় ১৫টি গ্রাম। তবে মেঘনার তীরে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে রামদাসপুর,দক্ষিণ রাজাপুর,চর মোহাম্মাদ আলী, কন্দকপুর গ্রাম। মেঘনা নদীর পানির তীব্রতায় তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন, পানির উচ্ছাসে বিচ্ছিন্ন হয়েছে রাস্তাঘাট । সরে জমিনে দেখা যায় বিচ্ছিন্ন রাস্তা নিজ উদ্যোগে মেরামত করছেন স্থানীয়রা। এদিকে ভাঙ্গনের নিয়ে যাওয়া জিও ব্যাগও নিজ উদ্যোগে সংস্কার করছেন স্থানীয়রা । ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুরের মেহেন্দীগঞ্জ সীমানা পর্যন্ত ভাঙন অব্যাহত রয়েছে দির্ঘদিন থেকে । বর্তমানে জোয়ারের অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত হওয়ায় ভাঙন অতি মাত্রায় বেড়েছে। দীর্ঘ এ নদীপথ এলাকায় প্রতিদিনই নতুন নতুন বাড়িঘরসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাঙছে।এখনো ভাঙনের কবলে রয়েছে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বাজার ঘাট। গৃহহীন হয়ে পড়ছে রাজাপুরের শত শত মানুষ। ভোলা শহরের আশপাশে কয়েকটি এলাকা ছাড়া ভাঙন রোধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড।রাজাপুরের ভাঙ্গনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তীব্র স্রোতে চোখের নিমিষে হারিয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি। ভিটেমাটি হারানো মানুষ যতটুকু সম্ভব আসবাবপত্র নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিত মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় ভাঙ্গন রোধের অনেক আশ্বাস পেয়েছেন কিন্তু কাজ পায়নি। রাজাপুরের জোড়খাল পয়েন্ট দিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মেঘনা ছুঁতে পারে শহর রক্ষা বাঁধ এমন ধারনা করেন নদী পারের বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজাপুরের ২৬টি মৌজার মধ্যে ১৮টি মৌজা ইতিমধ্যেই মেঘনায় বিলীন হয়েছে। কিছু মৌজায় মেঘনার বুকচিরে চর জাগলেও বেশিরভাগই রয়েছে মেঘনার গর্ভে।

চরমোহাম্মদ আলীর বাসিন্দারা বলেন কিছুদিন আগে সামান্য কিছু জায়গায় বালিভর্তি টিউব ব্যাগ ও জিও ব্যাগ ফেলছে পাউবো,এতে নদী ভাঙ্গার লাভ ক্ষতি কিছুই হয়নি ভাঙ্গন রোধে দরকার মজবুত টেকসই সিসি ব্লক স্থাপনে বাঁধ নির্মাণ।

রাজাপুরের চেয়ারম্যান রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী বলেন রাক্ষুসে মেঘনায় আমার জন্মভিটা বিলিন করেছে অনেক আগেই, আমিও অনুভব করি নদী ভাঙ্গার যন্ত্রণা । আমার ইউনিয়নের এক-তৃতীয়াংশই মেঘনার ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে,বাকি অংশ রক্ষায় অতিদ্রুত টেকসই বাঁধ অপরিহার্য। বাঁধের বিষয়ে আমি আমার আমার নেতা আলহাজ্ব তোফায়েল আহাম্মেদ (এমপি) মহদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি । ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরী ভিত্তিতে কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করেছে ।ভোলা পাউবো প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান বলেন ভাঙ্গন কবলিত এলাকার জন্য আমরা প্রকল্প পাঠিয়েছি, বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!